শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
দেশে খুচরা পর্যায়ে ইউরিয়া সারের দাম কেজিতে ৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে অনেক জেলাতেই বিক্রি হচ্ছে তার চেয়েছেও বেশি দামে। এতে চলতি মৌসুমে আমনের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন কৃষকরা। চালের বাজারে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শুরু হয়েছে রোপা-আমন আবাদের মৌসুম। বেড়েছে সারের চাহিদা। পাবনা জেলায় চলতি মৌসুমে ৫৫ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে চলতি মাসে ৯ উপজেলায় সারের চাহিদা রয়েছে ৩৪১ টন। তবে হঠাৎ সারের দাম কেজিতে ৬ টাকা বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন জেলার আমন চাষিরা।
সারের দাম বৃদ্ধির ঘোষণার পরপরই যশোরের বাজারে ইউরিয়া সারের সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, বেশ কয়েকদিন ধরে জেলায় ইউরিয়া সারের সংকট ছিলো। তবে দাম বেড়ে যাওয়ায় তা আরাে প্রকট হয়েছে।
সারের দাম বাড়ানোর ঘোষণায় ক্ষুব্ধ গাইবান্ধার কৃষকেরাও। চাষীরা বলছেন, বন্যায় ফসলের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে যখন সরকারী সহায়তা প্রয়োজন, তখন সারের দাম বাড়ানো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
তবে সারের দাম বাড়ার সাথে উৎপাদিত ফসলের দাম বাড়বে, জানান নাটোর কৃষি কর্মকর্তা।
সারের ৫০ কেজির বস্তা ৮’শ টাকা থেকে ১১’শ টাকা নির্ধারণ করা হলেও নওগাঁয় খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১১’শ থেকে ১২’শ টাকা দরে। এদিকে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি নৌ-বন্দরে সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও দাম বাড়ার কারণে বাফার গোদাম থেকে সার নিচ্ছেন না ডিলাররা।